তালতলীতে মন্দিরের টাকা আত্মসাত মামলায় আরও দু’জন জেলহাজতে,

প্রকাশিত, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, দৈনিক জনকন্ঠ।

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী, বরগুনা, ৭ ফেব্রুয়ারি ॥ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৪টি মন্দিরের নামে বিশেষ বরাদ্দের টাকা আত্মসাত মামলায় তালতলী উপজেলা বেহালা গ্রামের নিখিল চন্দ্র দেবনাথ ও তাপস দেবনাথকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হুমায়ূন কবির তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জানা গেছে, ১৫-১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় তালতলী উপজেলার মসজিদ-মন্দিরের নামে ৫৬টি প্রকল্পে ৪৫ লাখ ৫১ হাজার ৮৬০ টাকা বরাদ্দ দেয়। উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে নামে বেনামে ৫৬টি মসজিদ ও মন্দিরের প্রকল্প দেয় তালতলী উপজেলার আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও ঢাকাস্থ জেকে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেড পরিচালক হাজী আলম কবির, নিখিল চন্দ্র দেবনাথ, তাপস দেবনাথ, মোঃ ইব্রাহিম, কামরুল হাসান, আলমগীর আকন, শাহজাহান আকন, মোঃ ইলিয়াস, রিনা জাহান, শেখর চন্দ্র নাথ, রমেশ দেবনাথ ও বিমল চন্দ্র দেবনাথ ১২জনের একটি প্রতারক চক্র। ওই প্রকল্পের মধ্যে ২২টি মসজিদ ও মন্দিরের ভুয়া নাম দিয়ে বিশেষ বরাদ্ধের ১২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৫৭ টাকা আত্মসাত করেন ১২ প্রকল্প সভাপতি। এর মধ্যে প্রকল্প সভাপতি নিখিল দেবনাথ, বেহেলা মনসা মন্দির, জয় হরি হাওলাদার বাড়ি মন্দির ও সুখরঞ্জন বাড়ির বাস্তব মন্দির সংস্কারের নামে ১ লাখ ৭৫হাজার ৭১.৫৪ এবং প্রকল্প সভাপতি তাপস চন্দ্র দেবনাথ প্রশান্ত কীর্তনীয়া বাড়ি মন্দিরের সংস্কারের নামে ৫৮ হাজার ৩৫৭.১৮ টাকা কোন সংস্কারের কাজ না করে সমুদয় টাকা আত্মসাত করেছেন।