ইউনিয়ন পরিষদ

১৮৭০ সালে লর্ড মেয়ো গ্রাম চৌকিদারি আইন (বেঙ্গল ভিলেজ চৌকদারি এ্যাকট-১৮৭০) পাস করেন। এই আইন বলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে ষাটের আধিক বাড়ি নিয়ে প্রতিগ্রামে একাটি পঞ্চায়েত নিযুক্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়। পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা পাঁচের অধিক হবে না। গ্রাম রক্ষীদের নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ, তাদের কাজ-কর্মের তত্ত্বাবধান এবং নিয়মিত বেতন দানের ব্যবস্থা করা পঞ্চায়েতের দায়িত্ব ছিল। পঞ্চায়েতের প্রত্যেক সদস্যের কর্তব্য ছিল গ্রামে সংঘটিত সকল অপরাধের রিপোর্ট পুলিশকে দেয়া।

১৯১৯ সালে বঙ্গীয় পল্লী সায়ততোশাসন আইন পাস হয়। এই আইন বলে ইউনিয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সময় বড় বিঘাই, গুলিশাখালী, আঠারগাছিয়া, চাওড়া ও তক্তাবুনিয়া প্রস্তাবিত ইউনিয়ন বোর্ড ছিল। ১৯২৬ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ইউনিয়ন বোর্ডের কার্যকাল প্রথমে ৩ বছর এবং পরে ১৯৩৬ সালে ৪ বছর করা হয়। এ সময় আমতলীতে ১৩টি ইউনিয়ন ছিল। যথা (১) বড় বিঘাই, (২) গুলিশাখালী, (৩) কুকুয়া, (৪) আঠারগাছিয়া, (৫) চাওড়া, (৬) তক্তাবুনিয়া, (৭) চরচিলা, (৮) ধানখালী, (৯) আমতলী, (১০) আড়পাঙ্গাশিয়া, (১১) পঁচাকোড়ালিয়া, (১২) কড়ইবাড়িয়া ও (১৩) বড়বগী।

১৯৫০ সালের মধ্যে এই ১৩ টি ইউনিয়নের প্রথমোক্ত ৫ টিতে ইউনিয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত বহাল থাকে। ইউনিয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হলে পঞ্চায়েতের পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট পদ সৃষ্টি করা হয়। উক্ত আইনে মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ সরকার মনোনয়ন দান করতেন এবং অবশিষ্ট সদস্যগণ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতেন। সদস্যগণ তাদের মধ্য থেকে একজন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতেন।

১৯৫৯ সালে ইউনিয়ন বোর্ড ইউনিয়ন কাউন্সিল নামে অভিহিত হয়। এ সময় আমতলীর পঞ্চায়েতগুলোসহ সকল ইউনিয়ন কাউন্সিলের আওতায় আসে। তত্তাবুনিয়া ও চরচিলা ইউনিয়নকে একত্রিত করে নামকরণ করা হয় হলদিয়া। ইউনিয়নের সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ টিতে। ১৯৫৯ সালে ১২ টি ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ছিল ১৬২ জন।

(১) বড় বিঘাই-১২ (২) গুলিশাখালী-১৮ (৩) কুকুয়া-১৩ (৪) আঠারোগাছিয়া-১৩ (৫) হলদিয়া-১৬ (৬) চাওড়া-১৩ (৭) আমতলী- ১৬ (৮) ধানখালী-১৩ (৯) আরপাঙ্গাশিয়া-০৯ (১০) পঁচাকোড়ালিয়া- ১৩ (১১) কড়ইবাড়িয়া- ১৩ (১২) বড়বগী-১৩

১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী মনোনয়ন প্রথা বাতিল হয়ে যায় এবং সার্বজনীন ভোটাধিকার ব্যবস্থা চালু করা হয়। ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেয়াদ ৪ থেকে ৫ বছরে বর্ধিত করা হয়। বাংলাদেশেরসায়ততোশাসন  সাধীনতা উততরকালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৭, ১৯৭২ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বাতিল করা হয়। নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন পঞ্চায়েত। কিন্তু কিছু দিন পর রাষ্ট্রপতির অপর এক আদেশে, আদেশ নং ২২, ১৯৭৩ অনুযায়ী ইউনিয়ন পঞ্চায়েতের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইউনিয়ন পরিষদ। এখন পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদ নামটি বহাল আছে।

১৯৮৩ সালে ধানখালী ইউনিয়ন পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় এবং ১৯৯২ সালে বড়বিঘাই ইউনিয়ন পটুয়াখালী সদর উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত হলে আমতলী উপজেলার ইউনিয়ন সংখ্যা ১০ টিতে নেমে আসে। ১০ টি ইউনিয়ন নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা মাঠ পর্যায়ে সরকারী প্রতিনিধি হিসাবে অবস্থান করে সরকারী পরিকল্পনাসমূহ এবং স্থানীয়ভাবে গৃহীত প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়ন করে চলছেন।

আমতলী উপজেলায় মোট ১০টি ইউনিয়ন। আমতলী ও তালতলী দুটি থানা। আমতলীতে ৭টি ও তালতলী থানায় ৩টি ইউনিয়ন। নির্বাচন কমিশন তালতলী থানার পঁচাকোড়ালিয়া, ছোটবগী, কড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নকে ভেংগে পঁচাকোড়ালিয়া, ছোটবগী, কড়াইবাড়িয়া, শারিকখালী, বড়বগী, নিশানবাড়িয়া, এবং সোনাকাটা নামে ৭টি ইউনিয়নে পূনর্গঠন করে।

৩রা এপ্রিল ২০১১ইং তারিখ আমতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন নবগঠিত ৭টি ইউনিয়নের আলাদা ভোটার তালিকা তৈরী করতে না পাড়ায় ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন স্থগিত রয়েছে

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৫, সাধারন সদস্যপদে ২৮৩ ও সংরক্ষিত (মহিলা) আসনে ৮৩টি মনোনয়ন পত্র দাখিল করে। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে গুলিশাখালী ইউনিয়নে এড.নুরুল ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট ৭৪৮৮) নিটকতম প্রতিদ্বন্দি ছিলেন এবিএম সিদ্দিকুর রহমান (প্রাপ্ত ভোট ৪৫২০)। কুকুয়া ইউনিয়নে কায়েসুর রহমান ফকু (প্রাপ্ত ভোট ৪৬০৮) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার (প্রাপ্ত ভোট ৪১৭৯)। আঠারগাছিয়া ইউনিয়নে হারুন-অর-রশিদ (প্রাপ্ত ভোট ৪৩০৪) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি রফিকুল ইসলাম রিপন (প্রাপ্ত ভোট ২৬৪০)। চাওড়া ইউনিয়নে আখতারুজ্জামান খান বাদল (প্রাপ্ত ভোট ৬১৬৮) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি এডভোকেট মোঃ মহসিন (প্রাপ্ত ভোট ৪৫৫২)। হলদিয়া ইউনিয়নে শহিদুল ইসলাম মৃধা (প্রাপ্ত ভোট ৭৪১৯) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মকবুল আহম্মেদ খান (প্রাপ্ত ভোট ৫১২১)। আমতলী ইউনিয়নে মোতাহার উদ্দিন মৃধা (প্রাপ্ত ভোট ৬২৭২) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ফারুক উদ্দিন খান (প্রাপ্ত ভোট ৩৫৯৬) এবং আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ (প্রাপ্ত ভোট ৪১০০) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি একেএম নুরুল হক তালুকদার (প্রাপ্ত ভোট ২৯৪২) ছিলেন।

পরবর্তীতে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশন নবগঠিত ৭টি ইউনিয়নের আলাদা ভোটার তালিকা তৈরী করতে না পাড়ায় ইউনিয়নগুলোর নির্বাচন স্থগিত রয়েছে

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে **, সাধারন সদস্যপদে ** ও সংরক্ষিত (মহিলা) আসনে **টি মনোনয়ন পত্র দাখিল করে। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নে ** (প্রাপ্ত ভোট **) নিটকতম প্রতিদ্বন্দি ছিলেন ** (প্রাপ্ত ভোট **)। কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নে ** (প্রাপ্ত ভোট **) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ** (প্রাপ্ত ভোট **)। বড়বগী ইউনিয়নে ** (প্রাপ্ত ভোট **) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ** (প্রাপ্ত ভোট **)। শারিকখালী ইউনিয়নে **** (প্রাপ্ত ভোট **) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ** (প্রাপ্ত ভোট **)। ** **(প্রাপ্ত ভোট **) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ** (প্রাপ্ত ভোট **)। নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নে ** (প্রাপ্ত ভোট **) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ** (প্রাপ্ত ভোট **) এবং সোনাকাটা ইউনিয়নে ** (প্রাপ্ত ভোট **) নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ** (প্রাপ্ত ভোট **) ছিলেন।

–  আমতলীর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ তথ্য  –

এক নজরে ১নং গুলিশাখালী ইউনিয়ন 

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ১৯২৬ সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব এড. নুরুল ইসলাম
যোগাযোগ- 01712947995
ইউপি সচিব- মোঃ ওমর ফারুক
যোগাযোগ- 01739416815

নামকরণ বিবরণ- ‘গুলিশা’ জাতীয় মাছের নাম অনুসারে ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম গুলিশাখালী। গ্রামের  নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ২০ বর্গ কিলোমিটার বা ৭.৭২ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ২৮,১৮২ জন (পুরুষ ১৪০৬৫ ও মহিলা ১৪১১৮)।ভোটার **** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ০৬ টি। গ্রাম ১২ টি। ডাকঘর  ০৪ টি। হাট ০৫ টি। কলেজ ০১ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০৩ টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ** টি। মাদ্রাসা ১২ টি। মসজিদ  ৬৫টি। মন্দির ৪ টি। শিক্ষার হার ৭৫%। দর্শনীয় স্থান- গোজখালী ছলিমদ্দিন শাহ’র মাযার শরীফ; বাইনবুনিয়া গ্রামের মাটির টিলা। ইউপি কমপ্লেক্স- গোজখালী বাজার সংলগ্ন।

এক নজরে ২নং কুকুয়া ইউনিয়ন

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ১৯৫০ সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব বোরহান উদ্দিন মাসুম তাং
যোগাযোগ- 01716089279
ইউপি সচিব- মোঃ আঃ আজিজ। যোগাযোগ- 01718155334

নামকরণ বিবরণ- প্রতিষ্ঠাকাল-১৯৬১। কুকুয়া’ জাতীয় এক প্রজাতির পাখির নামানুসারে ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম কুকুয়া। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ৬৭.৩৩ কিলোমিটার বা ২৬ বর্গমাইল। জনসংখ্যা ২৬৬৩৮ জন (পুরুষ ১৩,৫৩৯ ও মহিলা ১৩,০৯৯)। ভোটার ১৮৫৮৯ জন (পুরুষ ৯০৭৩ ও মহিলা ৯৫১৬)। মৌজা ১০ টি। গ্রাম ১৩টি। হাট ০৪ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০৫ টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১২ টি। মাদ্রাসা ০৫ টি। মসজিদ ৬০টি। মন্দির *টি। শিক্ষার হার ২৯.২%। শিক্ষার হার ৭০%। দর্শ নীয় স্থান- খানকায়ে ছালেহিয়া কম্পলেক্স। ইউপি কমপ্লেক্স- ৭নং ওয়ার্ড আজিমপুর বাজারে ০.৯৬ একর জমির উপর অবস্থিত।

এক নজরে ৩নং আঠারগাছিয়া ইউনিয়ন

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ১৯২৬ সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ হারুন অর রশিদ
যোগাযোগ- 01712144722
ইউপি সচিব- সুমন্ত চন্দ্র দাস
যোগাযোগ- 01726680891

নামকরণ বিবরণ- আটা জাতীয় গাছের নাম থেকে একটি গ্রামের নাম আঠারগাছিয়া। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ৩৩.৬৫  কিলোমিটার বা ১৩.৩৮ বর্গমাইল। জনসংখ্যা ২৫,২৪৪ জন। ভোটার **** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ১০ টি। গ্রাম ১২ টি। হাট ০৪ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০৪ টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৯ টি। মাদ্রাসা ০৫ টি। মসজিদ *টি। মন্দির *টি। শিক্ষার হার ২৯.২%। ইউপি কমপ্লেক্সঃ সোনাখালী কলেজ সংলগ্ন ।

এক নজরে ৪নং হলদিয়া ইউনিয়ন

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ১৯২৬ সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ সহিদুল ইসলাম মৃধা
যোগাযোগ- 01715308404
ইউপি সচিব- মোঃ আব্দুল খালেক।
যোগাযোগ- 01719835258

নামকরণ বিবরণ- হলুদ (হরিদ্রা) প্রজাতির উদ্ভিদের নামানুসারে একটি গ্রামের নাম হলদিয়া। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ১৮২.৮৫ বর্গমাইল বা ৭০.৬০ বর্গমাইল। জনসংখ্যা ২৯,৩৬৪ জন।ভোটার **** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ১১ টি। গ্রাম ১৩ টি। হাট ১০ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০৬ টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩২ টি। মাদ্রাসা ০৭ টি। মসজিদ *টি। মন্দির *টি। শিক্ষার হার ***%। ইউপি কার্যালয়- হলদিয়া অফিস বাজারে কমপ্লেক্স অবস্থিত।

এক নজরে ৫নং চাওড়া ইউনিয়ন

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ১৯২৬ সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান-
জনাব মোঃ আখতারুজ্জমান খান বাদল
যোগাযোগ- 01715032248
ইউপি সচিব- মোঃ আঃ মোতালেব।
যোগাযোগ- 01734412554

নামকরণ বিবরণ- নদী ভরাট হওয়ার পর চর পড়ায় ‘চরুয়া’ নামটি কালক্রমে চউরা, চওড়া বা চাওড়া হতে পারে। অথবা চওড়া (প্রশস্থ) নদী বা চরের নাম থেকেও চাওড়া নাম করন হতে পারে। এভাবে চাওড়া একটি গ্রামের নাম করন করা হয়। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ৩৩.৬৭ বর্গ  কিলোমিটার বা ১৩.০০ বর্গমাইল। জনসংখ্যা ৪০,০০০ জন। ভোটার **** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)।মৌজা ০৪ টি। গ্রাম ১২ টি। হাট ০২ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০২ টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ০৭ টি। মাদ্রাসা ০৬ টি। মসজিদ ৩৪ টি। মন্দির ০২ টি। শিক্ষার হার ***%। ইউপি কার্যালয়- ঘটখালী বাসস্টান্ড সংলগ্ন ইউপি কমপ্লেক্স।

এক নজরে ৬নং আমতলী ইউনিয়ন

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ১৯৬৬ সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা
যোগাযোগ- 01713962151
ইউপি সচিব- মোঃ নিজাম উদ্দিন।
যোগাযোগ- 01722325067

নামকরণ বিবরণ-  আমতলী নদীর অভ্যন্তরে আম গাছের নিচে নিরাপদে নৌকা বাধার স্থান আমতলা নামে খ্যাত হলে আমতলা একটি গ্রামের নাম থেকে আমতলী নামকরন করা হয়। গ্রামের নাম থেকে কালক্রমে ইউনিয়ন ও থানার নাম হয়। আয়তন ১৩১.০২ বর্গ  কিলোমিটার ৫০.৫৯ বর্গমাইল। জনসংখ্যা ২২,৪৮৬ জন। ভোটার **** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ০৫ টি। গ্রাম ১৪ টি। হাট ০৪ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ০৩ টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ২১ টি।  মাদ্রাসা ০৩ টি। মসজিদ ৬৭ টি। মন্দির ০২ টি। শিক্ষার হার ৫৪%। ইউপি কার্যালয়- উত্তর টিয়াখালী গ্রামে ইউপি কমপ্লেক্স অবস্থিত।

এক নজরে ৭নং আড়পাংগাশিয়া ইউনিয়ন

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন-  সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম তাং
যোগাযোগ- 01711104152
ইউপি সচিব- মোঃ ইমরান হোসাইন
যোগাযোগ- 01

 

নামকরণ  বিবরণ  আইর এবং পাঙ্গাশ প্রজাতির মাছের নাম থেকে একটি গ্রামের নাম। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন- ৯.৩৬ বর্গ কিলোমিটার বা ৩.৬১ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ১৭,১৪৪ জন। ভোটার ** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)।  মৌজা- ০৩টি। গ্রাম- ১৫টি। হাট- ০৪টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়- ০৩টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ০৫টি। মাদ্রাসা- ০৩টি। মসজিদ- ৩২টি। মন্দির- ০৩টি। শিক্ষার হার- **%। ইউপি কমপ্লেক্স- ঘোপখালী বাজার সংলগ্ন জমিতে নির্মিত ইউপি কমপ্লেক্স।

 তালতলী উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ তথ্য

এক নজরে কড়ইবাড়ীয়া ইউনিয়ন 

নবগঠিত তালতলী উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো ১৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- **** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ আলতাফ হোসেন আকন
যোগাযোগ- 010000000000
ইউপি সচিব- স্বপন কুমার হাওলাদার
যোগাযোগ- 0178833059

নামকরণ  বিবরণ ‘কড়ই’ জাতীয় এক প্রকার গাছের নাম অনুসারে ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম কড়ইবাড়িয়া। গ্রামের  নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ২৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১০.৪২ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ১৭,১৪৪ জন। ভোটার ** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ০৭ টি। গ্রাম ০৬ টি। ডাকঘর  ০৪ টি। হাট ** টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ** টি। মাদ্রাসা ** টি। মসজিদ ৪০ টি। মন্দির ১৮ টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- ******।

এক নজরে ছোটবগি ইউনিয়ন

নবগঠিত তালতলী উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো ১৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মুঃ তৌফিকিউজ্জামান
যোগাযোগ-  01716862500
ইউপি সচিব- মোঃ ফরিদ আলম
যোগাযোগ- 01711573151

বিবরণ আয়তন ২৮ বর্গ কিলোমিটার বা ১০.৮১ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ২৬,৪২৫ জন। ভোটার ১১,৩৭০ জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ০৪ টি। গ্রাম **টি। ডাকঘর  **টি। হাট- ০১ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় **টি। মাদ্রাসা * টি। মসজিদ  ০৭টি। মন্দির ** টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- **।

এক নজরে পচাঁকোড়ালিয়া ইউনিয়ন 

নবগঠিত তালতলী উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো ১৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মো: নজির হোসেন কালু পাটোয়ারী
যোগাযোগ- 01774798351
ইউপি সচিব- সজল কুমার কিত্তনীয়া
যোগাযোগ- 01720510723

নামকরণ  বিবরণ কোড়াল প্রজাতির পাঁচটি মাছের নামানুসারে একটি গ্রামের নাম পঞ্চকোড়ালিয়া। পঞ্চকোড়ালিয়া থেকে একটি গ্রামের নাম। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নাম। আয়তন ৪০ বর্গ কিলোমিটার বা ১৫.৪৪ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ২৩৪২৫ জন। ভোটার ** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ** টি। গ্রাম **টি। ডাকঘর  **টি। হাট- ০৩ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় **টি। মাদ্রাসা ** টি। মসজিদ ২৫টি। মন্দির ০৬ টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- **।

এক নজরে বড়বগি ইউনিয়ন 

নবগঠিত তালতলী উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো ১৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ আলম মিঞা
যোগাযোগ- 01740893802, 01716706631
ইউপি সচিব- মোঃ খলিলুর রহমান
যোগাযোগ- 01726120606
নামকরণ  বিবরণ বক নামক এক প্রজাতির পাখির নামানুসারে একটি গ্রামের নাম বড়বগী। গ্রামের নাম থেকে ইউনিয়নের নামকরণ করা হয়। আয়তন ৬০ বর্গ কিলোমিটার বা ২৩.১৬ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ১৮৩০৭ জন। ভোটার ** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ** টি। গ্রাম **টি। ডাকঘর  **টি। হাট- ০১ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় **টি। মাদ্রাসা ** টি। মসজিদ ৪৭টি। মন্দির ০৮ টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- **।

এক নজরে নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়ন 

নবগঠিত তালতলী উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো ১৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ দুলাল ফরাজী
যোগাযোগ- 01740810853
ইউপি সচিব- মোঃ জাকির হোসেন
যোগাযোগ- 0171393293
ই-মেইলঃ z.hossen1973@gmail.com

বিবরণ আয়তন ৪৫ বর্গ কিলোমিটার বা ১৭.৩৭ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ১২৯২৭ জন। ভোটার ৮৪৮৪ জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ০২ টি। গ্রাম ০৬টি। ডাকঘর  **টি। হাট- ০৩ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় **টি। মাদ্রাসা ** টি। মসজিদ ১৯টি। মন্দির ০৩ টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- **।

এক নজরে শারিকখালী ইউনিয়ন 

ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ জাকির হোসেন বাবুল
যোগাযোগ- 01706104926
ইউপি সচিব-
যোগাযোগ-

বিবরণ আয়তন ২১ বর্গ কিলোমিটার বা ৮.১০ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ৯৮৮২ জন। ভোটার ** জন (পুরুষ ** ও মহিলা ***)। মৌজা ০২ টি। গ্রাম ০৬টি। ডাকঘর  **টি। হাট- ০৩ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় **টি। মাদ্রাসা ** টি। মসজিদ ১৯টি। মন্দির ০৩ টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- **।

এক নজরে সোনাকাটা ইউনিয়ন 

নবগঠিত তালতলী উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মতো ২৩ মে ২০১৭ তারিখ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
ইউনিয়ন পরিষদের অনুমোদন- ** সাল।
বর্তমান চেয়ারম্যান- জনাব মোঃ সুলতান আহমেদ ফরাজী
যোগাযোগ- 0100000000
ইউপি সচিব-
যোগাযোগ-

বিবরণ আয়তন ২১ বর্গ কিলোমিটার বা ৪৫ বর্গ মাইল। জনসংখ্যা ১১২৫৮ জন। ভোটার ৮২০৮ জন (পুরুষ ৪০৪৩ ও মহিলা ৪১৬৫)। মৌজা ০২ টি। গ্রাম ১৩টি। ডাকঘর  **টি। হাট- ০৩ টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ** টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় **টি। মাদ্রাসা ** টি। মসজিদ **টি। মন্দির ** টি। শিক্ষার হার *%। ইউপি কমপ্লেক্স- **।